🌜 ২০২৬ সালে রমজান কবে? প্রথম রোজা কবে বিস্তারিত জানুন?
২০২৬ সালে পবিত্র মাহে রমজান ফেব্রুয়ারি মাসের কত তারিখে শুরু হবে?
প্রথম রমজান শুরু হওয়ার সম্ভাবনার তারিখ রয়েছে ১৮ বা ১৯ ফেব্রুয়ারি যা চাঁদ দেখার উপর পুরোপুরি নির্ভর করে।
রমজান মাস কি?
এই মাসে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত না খেয়ে না পান করে এবং সব খারাপ কাজ থেকে বিরত থেকে রোজা রাখা হয়? এবং আল্লাহর আদেশ মেনে চলার চেষ্টা করেই মুসলিমরা।এবং এই মাসে রয়েছে প্রচুর সোয়াব ও নেকি অর্জনের একটি মাস। ভোরের আগে খাবার খেয়ে রোজা শুরু করা হয় এটাকে বলা হয় সেহেরী আর ইফতার বলতে বোঝায় সূর্যাস্তের পর রোজা ভাঙ্গা হয় এটাকে ইফতার বলা হয় রোজা অবস্থায় যা করা যাবে না। খাওয়া বা পান করা ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করা খারাপ কথা বলা ঝগড়া করা।
রমজানের বিশেষ আমল।
রমজানের বিশেষ ইবাদত রয়েছে যেমন তারাবির নামাজ, বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত, দান সদকা ইস্তেগফার করা, লাইলাতুল কদর খোজা।
রমজানে সুস্থ থাকার দশটি উপায়।
সেহেরী কখনো বাদ দিও না সেহেরির শরীরের শক্তি ধরে রাখে ভোরের আগে পুষ্টিকর খাওয়ার খাও।
পর্যাপ্ত পানি পান কর ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত ধীরে ধীরে ৮- ১০ গ্লাস পানি পান করো।একেবারে বেশি পানি খেওনা।
সুষম খাওয়ার খাও ডাল ভাত সবজি ডিম মাছ ফল সব কিছু পরিমিত পরিমাণে খাও।শুধু ভাজাপোড়া খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়।
ইফতারে অতিরিক্ত খেওনা অনেকেই সারাদিন রোজা রেখে ইফতারে অতিরিক্ত খেয়ে ফেলে। এতে গ্যাস্টক ও হাজমের সমস্যা দেখা দেয়।
ফল ও খেজুর খাও খেজুর দ্রুত শক্তি দেয়। তরমুজ কলা,পেঁপে,আপেল,শরীর ঠান্ডা ও হজম ভালো রাখে।
ভাজাপোড়া ও অতিরিক্ত মিষ্টি কম খাও পেয়াজি,বেগুনি,জিলাপি,বেশি খেলে ওজন বাড়ে ও অসুস্থতা হতে পারে।
পর্যাপ্ত ঘুম নাও রমজানে ঘুমের সময় বদলে যায়। তাই দিনে বা রাতে মিলিয়ে অন্তত ৬-৭ সাত ঘন্টা ঘুম নিশ্চিত করো।
হালকা ব্যায়াম করো ইফতারের ১-২ ঘন্টা পরে হাঁটলে শরীর ভালো রাখে।
রমজানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল?
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ঠিকভাবে আদায় করা। রমজানের শুধু রোজা রাখলেই হবে না নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল।
তারাবির নামাজ রমজানে এশার নামাজের পর তারাবি পড়া সুন্নত। মসজিদে জামাতে পড়লে বেশি সওয়াব পাওয়া যায়।
বেশি বেশি দোয়া করা রমজান মাসেই কোরআন নাযিল হয়েছে। তাই এই মাসে বেশি বেশি কোরআন পড়া এবং অর্থ বুঝে পড়া উত্তম।
ইস্তেগফার ও তওবা নিজের ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া অতি গুরুত্বপূর্ণ। "আস্তাগফিরুল্লাহ" বেশি বেশি পড়া।
দান-সদকা করা গরীব অসহায় মানুষকে সাহায্য করা। রমজানের বড় আমল ছোট হলেও নিয়মিত দান করা ভালো
যাকাত-আদায়, যাদের ওপর যাকাত ফরজ তারা রমজানে যাকাত আদায় করলে বেশি ফজিলত পাওয়া যায়।
ইতিকাফ রমজানের শেষে দশকে মসজিদে অবস্থান করেই ইবাদতের মন দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমল।


ভিউজন বিডির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। আপনার প্রতিটা কমেন্ট পরবর্তী সময়ে রিভিউ করা হয়;
comment url