২০২৬ সালে বাংলাদেশের ভ্রমণের কিছু অস্থির জায়গা।
২০২৬ সালে বাংলাদেশের ভ্রমণের একটি অস্থির জায়গা পাবনা জেলা।
পাবনা জেলার দর্শনীয় পাঁচটি স্থান।
1/ পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুর।
বাংলাদেশের একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে রূপপুরে। রূপপুর হলো পাবনা
জেলার একটি অংশ। আপনারা যারা ঘোরাঘুরি করতে পছন্দ করেন মনকে ফ্রেশ রাখার জন্য
খুশি করার জন্য কিছু সুন্দর জায়গা পরিদর্শন করেন। তাদের জন্য একটি ভ্রমণের
জায়গা হল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। আপনার শখের মানুষকে এবং আপনার
প্রিয় বন্ধুদের সাথে যেতে পারেন ঘুরতে এখানে। এখানে গেলে আপনি দেখতে পারবেন
পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্থাপনা এবং এগুলো দেখতে আপনার কাছে ভালই লাগবে আশা
করি। এখানে প্রতিদিন অনেক লোকেই ঘুরতে যায়। বাংলাদেশের মধ্যে শুধুমাত্র পাবনা
জেলাতেই রয়েছে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এখানে প্রতিদিন অনেক লোক যায় এই
পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেখার জন্য এখানে গিয়ে অনেকেই বড় বড় স্থাপনা এবং
বৈদ্যুতিক জিনিসগুলো তাদের প্রিয় মানুষের সাথে দেখতে চায় তাই আপনারা যারা যেতে
চান তারা নির্দ্বিধায় যেতে পারে। এখান থেকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন অনেক
হারেই বেড়ে যাবে এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রচুর পরিমাণ বৈদ্যুতিক শক্তি পাবে।
যার ফলে গরমের দিনে অতিরিক্ত লোডশেডিং থেকে মুক্তি পাবে বাংলাদেশের আর বাইরে থেকে
বিদ্যুৎ কিনতে হবে না তাই এসব জায়গা গুলো আপনি ভিজিট করতে পারেন।
2/টেবুনিয়া ফার্ম।
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ঘেরা একটি দর্শনীয় স্থান হল টেবিলিয়া ফার্ম।
এখানে গেলে আপনি দেখতে পাবেন চারিদিকে আপনার পাশে সূর্যমুখী ফুলের গাছ, নারিকেল
গাছ, এবং আপনি দেখতে পাবেন ধান খেত, এবং অন্যান্য বীজ তরীর গাছ এখানে আপনি পেয়ে
যাবেন সকল ধরনের ফুল গাছ এবং এর মাঝখান দিয়ে চলে গেছে একটি রেল লাইন। এখানে
প্রতিদিন অনেক লোকই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখার জন্য ছুটে যায়। বিশেষ করে এটা
শীতের দিন অনেক সুন্দর হয়ে থাকে। এখানে গেলে আপনি দেখতে পাবেন আপনার চারিপাশে
শুধু ধান আর ধান এবং মাঝখান দিয়ে চলে গেছে একটি লম্বা রাস্তা চারিপাশে দিয়ে
রয়েছে নারিকেল গাছ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা একটি দর্শনীয় স্থান হল টেবুনিয়া
ফার্ম
ঢেউনিয়া ফার্ম হল একটি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র এখান থেকে বাংলাদেশের অনেক কিছু কি
অনেক ধরনের বিষ পেয়ে থাকে এখানে সকল ধরনের ব্রিজের চাষাবাদ করা হয়। কৃষকদের
জন্য সুস্থ সবল বীজ এখান থেকেই তৈরি করা হয় যাতে করে কৃষকদের ফলন আরো বৃদ্ধি
পায়। এবং তারা যেন আরো আয় করতে পারে। আর এখানে গেলে শুধু আপনি কৃষি জমি দেখতে
পাবেন এখানে সকল ধরনের ফুল গাছের বীজ তৈরি করা হয়। তাই আপনি চাইলে ঘুরে আসতে
পারেন কেউ নিয়া ফার্ম থেকে এরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা একটি দর্শনীয়
স্থান।
3/হার্ডিং ব্রিজ।
পাবনা জেলার দর্শনীয় আরেকটি স্থান হল হার্ডিং ব্রিজ। পদ্মা নদীর উপর দিয়ে তৈরি হাডিং ব্রিজ। এই সেতুটি হচ্ছে বাংলাদেশের অনেক পুরাতন এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি সেতু এটা পদ্মা নদীর উপর দিয়ে গেছে এবং এটা ব্যক্তি অনেক সুন্দর লাগে। এটি ব্রিটিশ আমলের একটি প্রাচীন সেতু এটা নির্মাণ করেছিল ব্রিটিশরা এটা এখনো অনেক মজবুত ও ঠিক হয়ে রয়েছে এটার মধ্যে প্রতিদিন অনেক লোক যাতায়াত করে এবং অনেক পর্যটকরা এখানে প্রতিদিন ভ্রমণ করতে যায় বর্তমানে শীতের সময় এখানে নদীর পানি কিছুটা কমে যায় এবং নদীর পাড় দিয়ে ফোটে অঝোরে কাশফুল। অনেক এগিয়ে এই কাশফুলের সাথে ছবি উঠে এবং অনেকে তার প্রিয় মানুষকে নিয়ে ঘুরতে যায়। এখানে প্রাকৃতিক নদী ফুল ভেউ পাওয়া যায় এবং এটা সৌন্দর্য দেখলে আপনিও পাগল হয়ে যাবেন। যারা ভ্রমণে আগ্রহী তারা চাইলেই হার্ডিং ব্রিজটি ঘুরে আসতে পারেন এখানে গেলে আপনার মন মানসিকতা ভালো হয়ে যাবে যারা ঘোরাঘুরি পছন্দ করেন তাদের জন্য এটি একটি সুন্দর জায়গা। আপনি যদি আপনার মনকে ফ্রেশ করতে চান তাহলে এই জায়গাটিতে গিয়ে আপনি ঘুরে আসতে পারেন।
4/বেড়া উপজেলা।
বেড়া উপজেলা হলো বাংলাদেশের আরেকটি দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক স্থান। বেড়া উপজেলাটি রয়েছে নদীর পাশে আপনি যদি বেড়া উপজেলাতে ভ্রমণের জন্য যান তাহলে আপনি এখানে নদীর সমস্ত কিছু দেখতে পারবেন। আপনারা যারা নৌকায় চড়তে আগ্রহী এবং মা-বাবায় চড়তে পছন্দ করেন তারা জেলায় ঘুরতে যেতে পারেন এখানে প্রাকৃতিক বালু চর দেখতে পাবেন এখানে আপনি প্রাকৃতিক সকল মাছ দেখতে পারবেন। বেড়া উপজেলার পাশেই রয়েছে নদী তাই আপনারা যারা নদী পছন্দ করেন তারা বেড়া উপজেলা ভ্রমণ দিতে পারেন। অনেকেই আছে এমন যারা নদী পছন্দ করে থাকে তাদের জন্য নদীর ভ্রমণের একটি আদর্শ উপজেলা বেড়া। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরায় বেড়াও উপজেলা এখানে অনেক লোককে প্রতিদিন ভ্রমণ করতে যান গিয়ে তারা নৌকাতে ওঠেন বালু চরে বসে থাকেন এবং নদীতে তারা গোসল দিয়ে থাকেন।
5/পুরনো জমিদার বাড়ি।
পাবনা জেলায় রয়েছে পুরনো জমিদার বাড়ি। অনেকের মনেই কৌতূহল থাকে যে আগেকার রাজা বাদশা এবং জমিদারের বাড়ি কেমন হতো দেখার তারা চাইলেই নির্দ্বিধায় চলে আসতে পারেন পাবনা জেলায় পুরনো জমিদার বাড়ি। এখানে আসলে আপনি দেখতে পাবেন পুরনো জমিদার বাড়ির কেমন হতো এবং তারা কিভাবে তাদের ঘরবাড়ি তৈরি করে থাকতো। পুরনো দিনের জমিদার বলতে বোঝা যেত এলাকা সবচেয়ে নামিদামি বড়লোক তাদের কাছে থাকতো কয়েকশ বিঘা জমি এবং এগুলোই তারা চাষাবাদ করতো এবং জমিদারের বাড়িতে অনেক লোক কাজ করতো শ্রম দিত তাই আপনি চাইলে এই পুরনো জমিদার বাড়ির দর্শন করতে পারেন এখানে গেলে আপনি অচেনা মনের নিদর্শন গুলো স্পষ্ট দেখতে পারবেন এখনকার মানুষ তাদের ঘরবাড়ি দিয়ে থাকে কেমন আর আগেকার জমিদাররা তাদের বাড়ি কেমন করত এগুলো আপনি দেখে বুঝতে পারবেন। এখানে চাইলেই আপনি আপনার প্রিয় মানুষকে নিয়ে ঘুরতে যেতে পারেন এখানে প্রতিদিন অনেক লোকেই আসে জমিদার বাড়ি ভ্রমণ করতে পারেন।

.png)

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url